
নিজস্ব প্রতিবেদক :
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া ইউনিয়নের ছনখোলা পশ্চিম পাড়ায় গত ৩ মার্চ রাতে ডাকাতির গুজব ছড়িয়ে দুই জামায়াত কর্মীকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবী করেছেন জাতীয় সংসদের সাবেক প্যানেল স্পিকার,চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহত জামায়াত কর্মী নেজাম উদ্দিন ও ২৪ এর জুলাই আন্দোলনের সম্মুখযোদ্ধা আবু ছালেকের কবর জেয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই দাবী করেন।
তিনি বলেন, নেজাম উদ্দিন ও আবু ছালেককে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিচারের নামে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। এওচিয়ার কুখ্যাত আওয়ামী সন্ত্রাসী নজরুল ইসলাম মানিক, রমজান আলী, মাচ্ছালাম গং সরাসরি জড়িত বলে আমরা প্রমান পেয়েছি। অনতিবিলম্বে এই হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। এসময় সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাকারিয়া, সাবেক ছাত্রনেতা কলিম উল্লাহ,সাতকানিয়া জামায়াতের সাবেক আমীর ডা. নুরুল হক, নায়েবে আমীর মাষ্টার আব্দুস সোবহান,এসিষ্টেন্ট সেক্রেটারী মাওলানা আবু তাহের, প্রচার সেক্রেটারি আয়ুব আলী,ব্যবসায়ী নেতা আলমগির কবির ও জামায়াত নেতা জায়েদ হোসাইন ও মোহাম্মদ জাকারিয়া।
শাহজাহান চৌধুরী আরো বলেন, শহীদ নেজাম উদ্দিন ও আবু ছালেকের হত্যা মামলাটি পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা অত্যান্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছেন। তারা আশ্বস্থ করেছেন খুব কম সমযের মধ্যেই এ হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে। এই হত্যাকান্ডে জড়িতদের রক্ষা নেই। তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
শাহজাহান চৌধুরী স্থানীয় জামায়াত নেতাদের সাথে নিয়ে নিহত আবু ছালেক ও নেজাম উদ্দিনের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করে পরিবারের খোঁজ খবর নেন। এসময় আবু ছালেকের স্ত্রী সুরমি আক্তার উপস্থিত নেতৃবৃন্দকে প্রশ্ন করে বলেন, আজকে হত্যাকান্ডের প্রায় একমাস হতে চলেছে কিন্তু এখনো পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেপ্তার হয়নি। এটি দূঃখজনক। আমার স্বামী ২৪-এর জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। কোন অপরাধ করেনি। আমি এই নির্মম হত্যাকান্ডের বিচার চাই।
