
মোছাদ্দেক হোসাইন, লোহাগাড়া :
ইসরায়েল কর্তৃক গাজায় চলমান গণহত্যার প্রতিবাদে সোমবার (৭ এপ্রিল) ফিলিস্তিন জুড়ে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল। ধর্মঘট আহ্বানকারীদের আশা, আন্তর্জাতিক সমর্থক এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে সোচ্চার প্ল্যাটফর্মগুলোও সোমবার এই কর্মসূচি পালন করবে। ফিলিস্তিনের জাতীয় ও ইসলামি শক্তিগুলো রোববার এক বিবৃতিতে বৈশ্বিক এই ধর্মঘটের ডাক দেয়।
গণহত্যার প্রতিবাদে সোমবার ফিলিস্তিনিদের পক্ষে বিশ্বব্যাপী গড়ে ওঠা আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং রাজনৈতিক সংগঠনগুলো। গণহত্যার প্রতিবাদে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছেন লোহাগাড়ার বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণ ও লোহাগাড়ার বটতলি, পদুয়া এবং জামায়াতে ইসলামী দক্ষিণের আয়োজনে কেরানিহাট-রাস্তার মাথা সহ বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।
বিক্ষোভকারীরা প্ল্যাকার্ড, ব্যানার হাতে ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’, ‘স্টপ কিলিং ইন গাজা’সহ নানা স্লোগান দেন। শান্তিপূর্ণ এ কর্মসূচি চলাকালীন সড়কে যান চলাচলে সাময়িক সমস্যা হলেও কোনো চালক-যাত্রী তা মেনে নেন।
জামায়াতে ইসলামী দক্ষিণের উদ্যোগে রাস্তার মাথা থেকে শুরু হয় বিক্ষোভ মিছিল, পরে মিছিলটি কেরানিহাট গোল চত্বর এলাকায় গিয়ে সমবেত হয়।
সমাবেশে দক্ষিণ জেলা আমীর আনোয়ারুল আলম চৌধুরী বলেন, ফিলিস্তিনের উপর যে বর্বরোচিত হামলা এবং সাম্রাজ্যবাদীতা শুরু হয়েছে তা বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ কখনো মেনে নিবেনা। আমরা কখনো গাজার ১ ইঞ্চি জায়গাও ছেড়ে দেবনা, গাজা সব সময় আমাদের হৃদয়ে থাকবে, পুরো বিশ্ব ইসরাইলের বিরুদ্ধে কথা বলছে, এটি তাদের জন্য লজ্জাজনক। আমরা হুশিয়ারী করে বলতে চাই যেকোনো মূল্যে ফিলিস্তিনকে মুক্ত করে ছাড়ব।
